News before News

ঘুম না এলে..

শরীর সুস্থ রাখতে ঘুমের বিকল্প নেই। ঘুম শরীরকে বিশ্রাম দেয় এবং শারীরিক ক্ষমতাকে পুনুরুদ্ধার করে। এ কারণে প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময় ঘুমানো প্রয়োজন।

বিশেজ্ঞরা জানান, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো দরকার। নবজাতক থেকে শুরু করে  ৪ বা ৫ বছর বয়স পর্যন্ত ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। ১২ থেকে ১৩ বছর বয়সীদের অন্তত ১০-১২ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত।আর উঠতি বয়সীদের কমপক্ষে ১০ ঘণ্টা ঘুমানো আবশ্যক। তবে বার্ধক্যে এমনিতে কারো কারো ঘুম কমে যায়।

ঘুম নিয়ে অনেকেই সমস্যায় ভোগেন। বিশেষ করে মানসিক চাপের কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে সবচেয়ে বেশি। স্কুলের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বয়স্কদের অনেকেই এই সমস্যায় ভোগেন। এতে শরীরের নানা স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় প্রভাব পড়ে। ঘুমও ব্যাহত হয়। বিশেষজ্ঞরা জানান, কারো যদি টানা দুই সপ্তাহ ঘুমের সমস্যা হয় তাহলে তিনি ইনসোমিয়া বা অনিদ্রায় ভূগছেন বলে ধরা হয়। এটা হলে শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।

যাদের নিয়মিত ঘুমের সমস্যা হয় তাদের কিছু বিষয় মেনে চলা জরুরি।

যদি ঘুম পায় বা ক্লান্ত লাগে তখনই ঘুমাতে যাওয়া উচিত। ঘুম আসবে এটা মনে করে বিছানায় যাওয়া ঠিক নয়।

বিছানায় শুলে যদি আধঘণ্টার মধ্যে ঘুম না আসে তাহলে বই পড়তে পারেন কিংবা হালকা ধরনের গান শুনতে পারেন। কিন্তু ল্যাপটপ কিংবা স্মার্টফোন নিয়ে বসবেন না। এটা ঘুম তাড়িয়ে দেবে।

ঘুমানোর ৪-৫ ঘণ্টা আগে থেকে কোনো নেশার দ্রব্য গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

ঘুমের ঘণ্টাখানেক আগে গোসল করলে অথবা গরম দুধ বা দুধ জাতীয় কিছু খেলে ভাল ঘুম হয়।

সকালে নিয়মিত ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলুন বা হাঁটার চেষ্টা করুন। শারীরিক পরিশ্রম মস্তিষ্কে ঘুমের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে সাহায্য করে।

বিছানা এবং শোওয়ার ঘর আরামদায়ক করার চেষ্টা করুন।

মেডিটেশন ঘুমের জন্য খুব উপকারী। এটা করলে মন শান্ত হয়। আর মন শান্ত হলে ভাল ঘুম হয়।

আপনার এগুলো পছন্দ হতে পারে