News before News

জেলা বিএনপির নিয়ন্ত্রন কার হাতে!

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি এখন এক হারানো ঐতিহ্যে পরিনত হয়েছে। এক সময়ে যেই জেলা বিএনপি দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে রাজ করতো সেই জেলা বিএনপি এখন দলের শীর্ষ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে থাকার পরও একটি মিছিল বের করতে পারেনি। জেলা বিএনপির এমন হবার কারন কি? কেনই বা দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীগুলো পালিত হচ্ছেনা। দলের নিয়ন্ত্রণ মূলত কার হাতে? এসব প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে।
নেতাকর্মীরা জানান, বিগত সময়ে বিএনপির নিয়ন্ত্রণ ছিল জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারের হাতে। তিনি দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে থাকতেন, নেতাকর্মীদের খোঁজ খবর নিতেন এবং তাদের সাথে যোগাযোগ করতেন। কিন্তু এখন দলের নেতৃত্বে কে আছেন সেটিই বুঝা মুশকিল কারণ এখন পর্যন্ত দলের নতুন কমিটি হবার পর থেকে কেউ দলের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ করেননি। দলের জেলা কমিটির সকলকে নিয়ে একসাথে বসতেও পারেননি জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা। তাহলে দলের দায়িত্ব আসলে কার কাছে? দল আসলে নিয়ন্ত্রণ করছেন কে?
দলের একটি সুত্র জানায়, দলের বর্তমান জেলা বিএনপির কমিটি হয়ে গেছে একেবারেই ব্যবসায়িক কমিটি। কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে কাজী মনিরুজ্জামানকে। তিনি দলের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ করেন না এবং রাজপথে নামতে চাননা। তিনি তার অনুগত দলের দুই তিনজন নেতাদের সাথেই যোগাযোগ রক্ষা করেন, তারা ছাড়া কারো সাথেই যোগাযোগ করেন না তিনি। দলের কেন্দ্র থেকে বার বার কর্মসূচী ঘোষণা করা হলেও নেত্রীর মুক্তির একটি কর্মসূচীতেও তার দেখা মেলা ভার।
তবে আসলে জেলা বিএনপি চালাচ্ছে কে নাকি জেলা বিএনপি শেষ। জেলা বিএনপির নিয়ন্ত্রণকর্তা কি কেউ আছেন নাকি জেলা বিএনপি এখন রুপগঞ্জ বিএনপিতে পরিনত হয়েছে এমনটাই প্রশ্ন সবার। অতিদ্রুত দলের এই অবস্থা নিরসনে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন দলের জেলার সকল স্তরের নেতাকর্মীরা।
আপনার এগুলো পছন্দ হতে পারে