News before News

নীরবতা জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগে!

দেশের বর্তমান সময়ে একেবারেই নীরব অবস্থানে দেখা যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগকে। এর আগেও নানা ইস্যুতে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পর্যায়ে কার্যক্রমে গতি আসলেও একেবারেই চুপ থাকতেও দেখা যায় দুটি সংগঠনকে।

সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলের কেন্দ্র থেকে সাধারন মানুষের সাথে সংযুক্ত হতে বললেও জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের তেমন কোন কার্যক্রম এখন পর্যন্ত চোখে পড়ছেনা। জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতারা এখন দলের সংসদ মনোনয়ন প্রত্যাশী, দলের মনোভাব ও সাধারন মানুষের অবস্থা বুঝার চেষ্টা করছেন বলে দল থেকে জানানো হলেও কার্যত নিজেদেরকে কিছুটা নীরবই রাখছেন দলের নেতারা।

এদিকে বিগত প্রায় বছরখানেক ধরে নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনেই নৌকা চাই নৌকা চাই বলে সরগোল করলেও নৌকার প্রার্থী বাছাই ও উক্ত প্রার্থীকে নিয়ে মাঠে কাজ শুরু করেনি দলের জেলা কিংবা মহানগর। দলের শীর্ষ নেতারাও মূলত আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টির সাথে জোট হবে কিনা তা নিয়ে ভাবছেন। যদি নির্বাচনে জোট থেকেই যায় তাহলে তাদের দাবি হয়তো অন্তত একটি আসনে হলেও না মানা হতে পারে। এমনটা ধারনা করতে পেরেই একেবারে নীরব থাকবেন দলের নেতারা।

২০১৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে তৎকালীন শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহাকে মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করে দুই সদস্যের কমিটি ঘোষণা করেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর মহানগর আওয়ামীলীগের ৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।

২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর সাবেক জেলা পরিষদ প্রশাসক আবদুল হাইকে সভাপতি, সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে সহ সভাপতি এবং আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদলকে সাধারণ সম্পাদক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট জেলা আওয়ামীলীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্র। ১৩ মাস পর নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ৭৪ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্র। ২৬ নভেম্বর ওই কমিটি অনুমোদনের খবর জানায় জেলা আওয়ামীলীগ। যদিও কমিটির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায় এটি ১০ আগস্ট অনুমোদন দেয়া হয়েছিল।

আপনার এগুলো পছন্দ হতে পারে