News before News

বিএনপি নেতাদের জামিন বাতিলে দলের দায়িত্বে থাকবেন কে?

নারায়ণগঞ্জ চলতি বছর নতুন করে জেলার ৭টি থানায় দায়ের হওয়া ১৩টি মামলায় দলের জেলা ও মহানগরসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন সহ দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মী আসামী হয়েছেন। এসব মামলায় দলের শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে কর্মীরাও ছাড় পাননি। মামলাগুলতে দলের অনেক নেতা কারাগারে থাকলেও শীর্ষ নেতারা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।
জানা যায়, জামিনে থাকা নেতাকর্মীরা নিম্ন আদালতে এসব মামলায় জামিননামা দাখিল করেছেন। মামলাগুলোতে আগাম জামিনের মেয়াদ প্রায় সকলেরই শেষ হয়ে এসেছে। জামিননামা দাখিলের পর নেতারা ভেবেছিলেন তাদেরকে একসাথে কারাগারে পাঠানো হবে কিন্তু তা হয়নি। জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিননামা দাখিলের পর আদালত নিম্ন আদালতের নথি আসার পর আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন।
মামলাগুলোতে দলের নেতাকর্মীদের পক্ষে জামিন আবেদন করেছেন দলের আইনজীবী ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। তিনি জানান, মামলাগুলোতে উচ্চ আদালত থেকে আমরা জামিন পেয়েছিলাম সেই জামিনের আদেশ আমরা নিম্ন আদালতে উপস্থাপন করেছি এবং নিম্ন আদালতের সকলের জামিনের জন্য আবেদন করেছি। আদালত মামলাগুলোর নথি নিম্ন আদালত থেকে আসার পর আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে মামলাগুলোতে যদি জামিন না পান তবে জেলা বিএনপি, মহানগর বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলসহ সকল সংগঠনের নেতাকর্মীদের যেতে হবে কারাগারে। এমব অবস্থায় দলের হাল ধরবেন কে? জেলায় দলের দায়িত্ব পালন করবেন কে? মহানগরের দায়িত্বে কে থাকবেন এসব নিয়ে দলের মধ্যে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। কারণ কারাগারে গেলে নেতাকর্মীরা সহসাই বের হতে পারবেন না, হয়তো তাদের বের হতে কিছুটা সময় লাগবে। সেক্ষেত্রে কি করবে দল। দলের রাজনীতি কি থেমে থাকবে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাবার আগেই তিনি দলের শীর্ষ অবস্থান ঠিক করে গেছেন ঠিক তেমনি কি জেলা ও মহানগর বিএনপিও তাদের অবস্থান ঠিক করে দিয়ে যাবেন নাকি নড়বড়ে অবস্থায় থাকবে জেলা ও মহানগর বিএনপি। নেতৃত্বহীন অবস্থায় থাকবে নাকি কারো হাতে দায়িত্ব দিয়ে যাবেন দলের শীর্ষ নেতারা সেটিই এখন ভাবছেন দলের কর্মীরা।
নেতাকর্মীরা মনে করছেন, যদি নেতারা কারাগারে যান সেক্ষেত্রে তাদের উচিত হবে আগেই সকলের সাথে আলাপ আলোচনা করে জেলা মহানগর ও সকল অঙ্গ সংগঠনের বিকল্প নেতৃত্ব ঠিক করে দেয়া। যাতে করে দলে তাদের অবর্তমানে এসব বিকল্প নেতারা সাংগঠনিক কাজ কর্ম এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। তবে নেতারা মনে করছেন এতে করে নিজেদের কর্তৃত্ব খর্ব হতে পারে আর এ ভয়েই তারা এরকম কোন সিদ্ধান্ত নিতে চাইছেন না।
আপনার এগুলো পছন্দ হতে পারে