বার্গারকেও স্বাস্থ্যকর করে তোলার সহজ একটি উপায়

সুস্বাদু ফাস্টফুড বলতে অনেকের মনেই সবার আগে ভাসে বার্গারের ছবি। কিন্তু বার্গারে থাকে গরুর মাংস, যা বেশি খেলে ঘটে স্বাস্থ্যের অবনতি। কিন্তু বিফ বার্গার খেয়েও সুস্থ থাকার রয়েছে একটি উপায়। সে উপায়টি হলো, মাশরুম।

হ্যাঁ, রেড মিট অর্থাৎ যেসব মাংস কাঁচা অবস্থায় লাল থাকে, সেগুলো সুস্বাদু বটে। কিন্তু বেশি ক্যালোরি এবং ফ্যাট থাকায় তা বাড়ায় উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি। নিয়মিত রেড মিট খাওয়াতে ক্যান্সার, ওবেসিটি এবং অকালমৃত্যুর ঝুঁকিও বাড়ে। শুধু তা-ই নয়, মাংস উৎপাদনে পরিবেশের ক্ষতিও হয় বেশি।

গরুর মাংস খেয়েও সুস্থ থাকার জন্য খেতে হবে উদ্ভিজ্জ খাদ্য, সংবাদমাধ্যম হাফিংটন পোস্টকে জানিয়েছেন নিউ ইয়র্কের ডায়েটিশিয়ান সিডনি গ্রিন। এক সপ্তাহ পর পর হাতের তালুর সমান আকৃতির রেড মিট খাওয়াটা নিরাপদ বলে জানান তিনি।

গরুর মাংসের বার্গার খেয়েও সুস্থ থাকার জন্য একটি পদ্ধতি হলো ‘দ্যা ব্লেন্ড’, যা কিনা মাশরুম এবং গরুর মাংসের এই মিশ্রণ। কালিনারি ইনস্টিটিউট অব আমেরিকা এবং মাশরুম কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে এই মিশ্রণ তৈরি হয়।

এই মিশ্রণে মিহি কুচি করা মাশরুমের সঙ্গে মাংসের কিমা মিশিয়ে বার্গার এবং টাকোর মতো ডিশগুলো রান্না করা হয়। এতে সুস্বাদু বার্গার খাওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো সম্ভব হয়। ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের কিছু শেফ এই পদ্ধতিতে বার্গার তৈরি শুরু করেছেন।

এই বার্গারের স্বাদ কেমন? গরুর মাংসের চেয়ে মাশরুমে ফ্যাট এবং ক্যালোরি কম বটে, কিন্তু তাতে স্বাদ মোটেই কম হয় না।

বাড়িতেই এই বার্গার তৈরি করে নেওয়া যায়। মাশরুম কুচি বা কিমা করে তেল-মসলায় মিনিট পাঁচেক ভেজে নিয়ে এরপর তা বার্গারের প্যাটি তৈরির কিমার সঙ্গে ব্লেন্ড করে বা মিশিয়ে নিন। এরপর সাধারণ বার্গারের মতোই প্যাটি ভেজে নিয়ে বার্গার তৈরি করতে পারেন। তিন ভাগ গরুর মাংস এবং দুই ভাগ মাশরুম ব্যবহার করতে পারেন। একেক ধরনের মাশরুম ব্যবহারে স্বাদটাও আলাদা হবে।

আপনার এগুলো পছন্দ হতে পারে