শিক্ষার্থীদের রেপ হত্যার অভিযোগ কোন অভিভাবক করেনি : লিপি ওসমান

নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান ও নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের সহধর্মিনী সালমা ওসমান লিপি বলেছেন, আমি অবাক হয়েছি যখন কিছু শিক্ষার্থী পুলিশকে অকথ্যা ভাষায় গালিগালাজ করেছে। আমি তখন অবাক হয়েছি কারণ এসব শিক্ষার্থীদের ভাষা হতে পারেনা। আমি প্রথম থেকেই শিক্ষার্থীদের সমর্থনে ছিলাম কিন্তু এদের মধ্যে কিছু লোক নিজেদের স্বার্থ হাসিলে স্কুলের ড্রেস বানিয়ে ব্যাগে অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ডুকে পড়েছিল। তারা ভিডিও বানিয়েছে বলেছে আমাদের মেয়েকে রেপ করা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের হত্যা করা মারা হয়েছে, ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু কোন শিক্ষার্থীর অভিভাবক তো এমন অভিযোগ করেছে শুনিনি।

বুধবার (৮ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপবৃত্তি ও বিধবা ভাতা বই বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, যারা ফেসবুকে অপপ্রচার করছে তারা ভূল করছে। ফেসবুকে এসব অপপ্রচার যাচাই বাছাই না করে প্রচার করা উচিত নয়। আমাদের সচেতন হতে হবে মন মানসিকতার। স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা থেকে যেন তোমাদের কেউ না সরাতে পারে তাই সতর্ক থাকতে হবে।
”কি পোস্ট দিচ্ছি, কি শেয়ার দিচ্ছি, কি কমেন্ট করছি সেটি যদি মানুষ হিসেবে আমাদের বিবেক দিয়ে বিবেচনা না করে দেই তাহলে দেশ আগাবে কিভাবে। এখন সরকারের শেষ সময়, কোন সরকারই এই সময় চাইবেনা যে মানুষের মধ্যে ভিন্ন মতবাদ সৃষ্টি হোক কিংবা মানুষের মধ্যে তাদের নিয়ে খারাপ ইমেজ তৈরী হোক। তবে কারা চাইবে সেটা তোমাদের বুঝে নিতে হবে। ”
তিনি বলেন, আন্দোলনের উদ্দেশ্য কি, নিরাপদ সড়ক। যেন আমরা তোমরা কেউ দূর্ঘটনার শিকার না হই। শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামবে এটা ভালো সিদ্ধান্ত কিন্তু তারা গালি দিবে এটা ভালো সিদ্ধান্ত নয়, তাদের কেউ ব্যবহার করতে এটা ভালো সিদ্ধান্ত নয়। ফেসবুকে অপপ্রচার করাটা ভালো সিদ্ধান্ত নয়।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসনে আরা বেগম, জেলা মহিলা লীগ নেত্রী প্রফেসর শিরিন বেগম, মহানগর মহিলা লীগ নেত্রী ইসরাত জাহান সৃতি, মরিয়াম আক্তার কল্পনা প্রমুখ।
আপনার এগুলো পছন্দ হতে পারে